‘রান্নাবান্না শুরু করেছি ছোটবেলায় পুতুল বিয়ে দিতে গিয়ে। সে সময় আমরা কয়েকজন মিলে হয়তো কারও জমি থেকে মটরশুঁটি, কাঁচা মরিচ নিয়ে আসতাম। ঘর থেকে চাল, ডাল, তেল নিতাম। তারপর শুরু হতো খিচুড়ি রান্না। কখনো কখনো বড়রা এসে দেখিয়ে দিতেন। ব্যস, এভাবেই রান্নায় হাতেখড়ি হয় আমার।’ বলছিলেন সাংসদ ও সংগীতশিল্পী মমতাজ। রান্নায় আস্তে আস্তে তিনি হয়ে ওঠেন বেশ অভিজ্ঞ। নতুন কোনো জায়গায় গেলে নতুন খাবার তো খাওয়া হয়ই। সেই সঙ্গে তিনি জেনে নেন খাবারের প্রস্তুত প্রণালী। যেমন কিছুদিন আগে মমতাজ গিয়েছিলেন যশোরে তাঁর খালার বাড়িতে। সেখানে তাঁকে খেতে দেওয়া হয়েছিল নারকেল মুরগি। খাবারের নামটা শুনেই বেশ মজা লাগল তাঁর। খাবারটা খেলেন বেশ তৃপ্তি নিয়েই। ততক্ষণে মমতাজ বেশ রান্নার প্রণালী জানতে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। জেনে নিলেন, কীভাবে রান্না করতে হয় নারকেল মুরগি।
ঢাকায় ফিরেই তিনি রান্না শুরু করেন নারকেল মুরগি। একবার নয়, দুবার নয়, রাঁধলেন একাধিকবার নারকেল মুরগি। বাসায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও এ পর্বটি প্রাধান্য পেতে শুরু করল।
নকশার জন্য মমতাজ সেই রান্নাই রেঁধেছেন। ঈদের দিন তিনি এমন রান্না করবেন। ঝাল স্বাদের এই খাবারের পাশাপাশি তিনি রেঁধেছেন ফিরনি।
দৈনিক প্রথম আলোর সৌজন্যে রেসিপিগুলো আমাদের বাংলা রেসিপি বিভাগে পাওয়া যাচ্ছে।






Leave a Reply